এই হারের পর নিজেদের পরিকল্পনা থেকে ছিটকে পড়াকে দুষেছেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার। বাংলাদেশের ৯ উইকেটে ১৯৫ রানে থেমে যাওয়ার পথে ৭৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। আউট হন শেষ ওভারের তৃতীয় বলে। রান তাড়ায় নেমে শেষ ওভার পর্যন্ত ম্যাচটা নিয়ে যাওয়া উচিত হয়নি বলে মনে করেন নিগার। ৪৯তম ওভারে ম্যাচ শেষ করা উচিত ছিল বলে মনে করেন তিনি।
জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে ১২ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। হাতে ৬ উইকেট। এ অবস্থায় সুগান্দিকা কুমারীর করা ৪৯তম ওভারে ১টি উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। তাতে শেষ ওভারে জয়ের লক্ষ্যটা কঠিন হয়ে যায়। পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে নিগার বলেছেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, শুরুতে উইকেট দেব না। মাঝের ওভারগুলোয় ইনিংস গড়ব এবং শেষ ১০-১৫ ওভারে বেশি রান তুলব। খেলাটা শেষ ওভারের আগের ওভারে শেষ করতে হতো। আমরা সেখানেই হেরেছি।’
নিগার জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই ম্যাচ জয়ে শুরু থেকেই তাঁর আত্মবিশ্বাস ছিল। কিন্তু রান তাড়ায় শুরুটা অতটা ভালো ছিল না বাংলাদেশের। ১৫.৩ ওভারে ৪৪ রান তুলতেই নেই ৩ উইকেট। এরপর শারমিন আক্তারকে নিয়ে ৮২ রানের জুটি গড়েন নিগার। ৩৬তম ওভারে রান নিতে গিয়ে পায়ে টান পড়ে শারমিনের। যন্ত্রণায় টিকতে না পেরে উঠে যেতে বাধ্য হন ৬৪ রান করা এই ব্যাটার।
নিগার জানিয়েছেন, শারমিনের উঠে যাওয়ার পর থেকেই ম্যাচের মোড় ধীরে ধীরে ঘুরে যায়, ‘শুরু থেকেই ম্যাচটা আমাদের ছিল। আমরা ভালো ব্যাট করেছি। কিন্তু (শারমিনের) রিটায়ার্ড হার্ট হওয়ার পর আমরা পিছিয়ে পড়ি। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে উইকেটও হারিয়েছি। আমরা এভাবে তিনটি ম্যাচ হেরেছি, যেটা হৃদয়বিদারক। (ম্যাচের) কোনো এক পর্যায়ে আমরা পরিকল্পনা থেকে ছিটকে পড়েছি।’

0 Comments